আঘাত বা ব্যায়াম থেকে হতে পারে র‍্যাবডোমায়োলাইসিস

র‍্যাবডোমায়োলাইসিস কিঃ

র‍্যাবডোমায়োলাইসিস এমন এক রোগ, যা পেশী টিস্যু ভেঙে যাওয়ার কারণে হয়। মূলত, যখন পেশীর ফাইবারগুলো ভেঙে যায় এবং পেশীর উপাদানগুলো রক্ত প্রবাহ ছেড়ে দেয় তখন এই রোগটি ঘটে থাকে। পেশীর প্রোটিন এবং অন্যান্য পদার্থ অত্যাধিক পরিমাণে নৃসরণের ফলে এই রোগের নানা জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। বেশ কিছু কারণে র‍্যাবডোমায়োলাইসিস রোগটি হতে পারে।

এসব কারণের মধ্যে অতিরিক্ত ব্যায়াম, আঘাত, নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ সেবন এবং সংক্রমণ ইত্যাদি অন্যতম। এইসব কারণ ছাড়াও জিনগত ত্রুটি, জেনেটিক পেশী জনিত রোগ, ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা এবং উচ্চ-তাপমাত্রাকে ট্রিগার করা হয়।

র‍্যাবডোমায়োলাইসিস রোগের কার্যকর ব্যবস্থাপনা এবং এই রোগকে প্রতিরোধ করার জন্য আক্রান্ত হওয়ার অন্তর্নিহিত কারণ নির্ণয় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমানোর জন্য সম্ভাব্য ট্রিগার এবং ঝুঁকির কারণ সম্পর্কে সচেতন হওয়ার বিকল্প কিছু নেই। যদি কারও মাঝে র‍্যাবডোমায়োলাইসিস হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে সেই ব্যক্তির জটিলতা রোধ করার জন্য দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

লক্ষণঃ

★ র‍্যাবডোমায়োলাইসিস রোগে আক্রান্ত রোগীর গাঢ় রঙের প্রস্রাব হতে পারে। পাশাপাশি অবসাদ, প্রভাবিত পেশী ফুলে যাওয়া, প্রস্রাব বা ব্যথায় বিশৃঙ্খলা, বমি বমি ভাব বা বমি হওয়ার পাশাপাশি কিছু রোগীর প্রস্রাবের আউটপুট কমে যেতে পারে।

★ গাঢ়, লালচে-বাদামী প্রস্রাব ক্ষতিগ্রস্থ পেশী থেকে মায়োগ্লোবিন নিঃসরণের ইঙ্গিত দিতে পারে। আর এই বিষয়টিকে র‍্যাবডোমায়োলাইসিসের একটি হলমার্ক চিহ্ন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

★ পেশী ব্যথা, কোমলতা এবং দুর্বলতা র‍্যাবডোমায়োলাইসিসের সাধারণ লক্ষণ। এই রোগে আক্রান্ত হলে এই সমস্যাগুলো কাঁধ, উরু এবং পিঠের নিচের অংশকে প্রভাবিত করে থাকে।

★ ফোলাভাব, পেশী বা শরীরের অংশ শক্ত হওয়া এবং প্রভাবিত পেশীগুলোর গতির পরিসর হ্রাস পাওয়া র‍্যাবডোমায়োলাইসিসের সম্ভাব্য লক্ষণের মধ্য অন্যতম লক্ষণ। আর এই লক্ষণগুলো রোগীর দৈনন্দিন কার্যক্রমকে প্রভাবিত করে থাকে।

★ অস্থিরতা, ক্লান্তি এবং অসুস্থতার সাধারণ অনুভূতি হতে পারে র‍্যাবডোমায়োনাইসিসের লক্ষণ। প্রায়শই পেশী ভাঙন এবং মায়োগ্লোবিনের কারণে এসকল অনুভূতি হয়ে থাকে।

★ গুরুত্বর ক্ষেত্রে রোগীর বমি বমি ভাব, বমি হওয়া এবং বিভ্রান্তি ঘটতে পারে। যা ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা এবং কিডনির ক্ষতিকে ইঙ্গিত করে থাকে।

যদি কেউ র‍্যাবডোমায়োলাইসিসে আক্রান্ত হয়েছে এমনটা সন্দেহ হয়, তাহলে জটিলতা প্রতিরোধ করার জন্য অতিদ্রুত চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা নেওয়া অপরিহার্য। মনে রাখতে হবে, সফল পুনরুদ্ধারের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে সনাক্তকরণ এবং সঠিক চিকিৎসার বিকল্প কিছু  নেই।

কারণঃ

অতিরিক্ত ব্যায়াম বা তীব্র শারীরিক পরিশ্রম, আঘাত, পেশীর ক্ষতি নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ সেবন (স্ট্যাটিন), মাদক সেবন, এবং সংক্রমণ ইত্যাদি অন্যতম। এইসব কারণ ছাড়াও জিনগত ত্রুটি, জেনেটিক পেশী জনিত রোগ, ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা এবং উচ্চ-তাপমাত্রাকে র‍্যাবডোমায়োলাইসিসের কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আবার ডিহাইড্রেশন এবং হিটস্ট্রোক পেশীর ফাংশনকে বাড়িয়ে দিয়ে র‍্যাবডোমায়োলাইসিসের বিকাশ ঘটাতে পারে।

অন্তর্নিহিত এই কারণগুলো নির্ণয় করা গেলে সম্ভাব্য ভয়াবহতা বা মৃত্যুর হাত থেকে রোগীকে বাঁচাতে প্রতিরোধ ও চিকিৎসা পরিচালনা করা সম্ভব হতে পারে।

দীর্ঘস্থায়ী স্থবিরতা যেমন দীর্ঘ সময় শয্যাশায়ী থাকার কারণে যে কোনো ব্যক্তির পেশী ভেঙে যেতে পারে। যার প্রভাবে এই রোগটি বিকাশিত হতে পারে।

মারাত্মক ডিহাইড্রেশনের ফলে পেশী কোষগুলো ভেঙে যেতে পারে। যার ফলে মায়োগ্লোবিন এবং অন্যান্য এনজাইমগুলোকে মুক্ত করে। যা র‍্যাবডোমায়োলাইসিস তৈরিতে অবদান রাখে।

কিছু ঔষধ বিশেষ করে স্ট্যাটিন জাতীয় ঔষধ যা কোলেস্টেরল কমাতে ব্যবহৃত হয়, সেবনের ফলে এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে র‍্যাবডোমায়োলাইসিস হতে পারে।

কিছু সংক্রমণ, বিশেষ করে ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো ভাইরাল সংক্রমণ বা সেপসিসের মতো ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ পেশীর ক্ষতি সাধন এবং র‍্যাবডোমায়োলাইসি এর মতো রোগ সৃষ্টি করতে পারে।

কত প্রকারঃ

অন্তর্নিহিত কারণগুলোর উপর ভিত্তি করে র‍্যাবডোমায়োলাইসিসকে ৩ শ্রেনীতে ভাগ করা হয়েছে৷ এগুলো হচ্ছে-
১. এক্সারশনাল র‍্যাবডোমায়োলাইসিস
২. ড্রাগ-প্ররোচিত র‍্যাবডোমায়োলাইসিস এবং
৩. জেনেটিক র‍্যাবডোমায়োলাইসিস।

উপরোক্ত প্রকারগুলো ছাড়াও আরও কিছু প্রকারের র‍্যাবডোমায়োলাইসিস আছে। এগুলো হচ্ছে-
★ আঘাত জনিত র‍্যাবডোমায়োলাইসিস
★ সংক্রমক র‍্যাবডোমায়োলাইসিস এবং
★ বিপাকীয় র‍্যাবডোমায়োলাইসিস।

মূলত পেশীর আঘাত, নির্দিষ্ট কিছু সংক্রমণ এবং বিপাকীয় কারণে এই ধরণের র‍্যাবডোমায়োলাইসিস হতে পারে। যা পেশীর কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে বিপাকীয় ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি করতে পারে। প্রতিটি আলাদা আলাদা প্রকারে রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা পরিচালনায় অনন্য চ্যালেঞ্জ উপস্থাপণ করে। এজন্য এই রোগের চিকিৎসার জন্য নির্দিষ্ট কারণ নির্ণয় করাটা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরী।

এক্সারশনাল র‍্যাবডোমায়োলাইসিসঃ

অতিরিক্ত ব্যায়াম বা চরম শারীরিক পরিশ্রমের কারণে এই ধরনের র‍্যাবডোমায়োলাইসিস হয়ে থাকে। তীব্র ব্যায়াম বা অতিরিক্ত ভারোত্তোলন করার ফলে শরীরের পেশী ভেঙে যেতে পারে।

ড্রাগ-প্ররোচিত র‍্যাবডোমায়োলাইসিসঃ

স্ট্যাটিনস, অ্যান্টিসাইকোটিস এবং অবৈধ পদার্থসহ কিছু ঔষধ সেবন এবং এই ধরনের ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কারণ র‍্যাবডোমায়োলাইসিসকে ট্রিগার করতে পারে।

জেনেটিক র‍্যাবডোমায়োলাইসিসঃ

ম্যাকআর্ডল রোগ বা মায়োডেনাইলেট ডিমিনেজের ঘাটতির মতো উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত বিরল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের পেশী ভাঙার প্রবণতা দেখা দেয়। আর সেখান থেকে হতে পারে এই ধরনের র‍্যাবডোমায়োলাইসিস।

অ-প্ররোচিত র‍্যাবডোমায়োলাইসিসঃ

কিছু ঔষধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া, ট্রমা, সংক্রমণ বা বিপাকীয় ব্যাধির মতো বিভিন্ন কারণে এই ধরনের র‍্যাবডোমায়োলাইসিস হতে পারে।

ঝুঁকির কারণঃ

র‍্যাবডোমায়োলাইসিসের ঝুঁকি বৃদ্ধির পিছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে। এসব কারণের মধ্যে রয়েছে কঠোর শারীরিক কার্যকলাপ, অতিরিক্ত ওজন নিয়ে ব্যায়াম, আঘাত, ট্রমা, জেনিটিক পেশীর রোগ, হিটস্ট্রোক, সংক্রমণ, নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ যেমন, স্ট্যাটিন, অ্যান্টিসাইকোটিকস, ড্রাগ বা অ্যালকোহল গ্রহণ ইত্যাদি।

ঝুঁকির এই কারণগুলো আছে এমন ব্যক্তিদের শরীরে র‍্যাবডোমায়োলাইসিসের উপসর্গগুলো (পেশী ব্যথা, দুর্বলতা, ঘন প্রস্রাব ইত্যাসি) লক্ষ্য করা যায়, তাহলে বিলম্ব না করে অতি দ্রুত ডাক্তারের স্মরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা শুরু করতে হবে।

★ কঠোর ব্যায়ামঃ তীব্র শারীরিক ব্যায়াম, বিশেষ করে অভ্যস্ত নয় এমন কেউ ভারী ব্যায়াম করলে পেশী ভাঙ্গনের মতো ঘটনা ঘটে র‍্যাবডোমায়োলাইসিসের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

★ ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতাঃ

পর্যাপ্ত পানি বা পানীয় পান না করার ফলে শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে। আর এর ফলে কিডনির কার্যকারিতা হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি র‍্যাবডোমায়োলিসিস হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যেতে পারে।

★ কিছু ঔষধ, অ্যালকোহল ও ড্রাগঃ

কিছু ঔষধ যেমন স্ট্যাটিন, অ্যান্টিসাইকোটিকস এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি অ্যালকোহল গ্রহণ বা কোকেনের মতো অবৈধ ড্রাগ নিলে র‍্যাবডোমায়োলাইসিস হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

★ হিটস্ট্রোকঃ

উচ্চ তাপমাত্রার অত্যাধিক এক্সপোজার যেমন হিটওয়েভ বা গরম পরিবেশে কঠোর পরিশ্রম করলে হিটস্টোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। আর হিটস্ট্রোক র‍্যাবডোমায়োলাইসিসকে ট্রিগার করতে পারে।

রোগ নির্ণয়ঃ

কিছু লক্ষণ বিশেষ করে পেশীতে ব্যথা, দুর্বলতা এবং গাঢ় প্রস্রাবের মতো লক্ষণ রোগীর মাঝে আছে কিনা সে সম্পর্কে ডাক্তার রোগীকে জিজ্ঞেস করতে পারেন। এসব জিজ্ঞেস করার পরে রোগীর পেশী ফোলা বা কোমলতা নির্ণয়ের জন্য পরীক্ষা করার পরামর্শ দিবেন। এই রোগের ক্ষেত্রে ক্রিয়েটাইন কিনেস এবং মায়োগ্লোবিনের মতো পেশী এনিজাইমের উচ্চ মাত্রা নির্ণয়ের জন্য রক্ত পরীক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কিছু রোগীর ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয়ের জন্য টিস্যুর বায়োপসি করার প্রয়োজন হতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় করা গেলে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা গেলে এই রোগের জটিলতাগুলো প্রতিরোধ খুবই কার্যকরভাবে করা সম্ভব।

আসুন জেনে নেই এই রোগ নির্ণয়ে কোন পরীক্ষাটি কিজন্য করা হয়।

১. রক্ত পরীক্ষাঃ রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ক্রিয়েটাইন কিনেসের মাত্রা পরিমাপ করা হয়।

২. প্রস্রাব পরীক্ষাঃ প্রস্রাব পরীক্ষার মাধ্যমে রোগীর মায়োগ্লোবিন সনাক্ত করা হয়ে থাকে।

৩. এমআরআই/সিটিস্ক্যানঃ পেশীর ক্ষতি মূল্যায়ন বা নির্ণয় করার জন্য এমআরআই বা সিটিস্ক্যান অথবা উভয় পরীক্ষাগুলো দেওয়া হয়ে থাকে।

এগুলো ছাড়াও, ইলেক্ট্রোলাইট স্তর নিরীক্ষণ, কিডনি ফাংশন পরীক্ষা করে কিডনির ক্ষতি মূল্যায়ন, পেশীর দুর্বলতা ও কোমলতা নির্ণয়ে শারীরিক পরীক্ষা, তরল ভারসাম্য এবং হাইড্রেশন অবস্থার মূল্যায়নের পাশাপাশি সম্ভাব্য ঝুঁকির কারণগুলো নির্ণয়ের জন্য রোগীর মেডিকেল ইতিহাস পর্যালোচনা করার প্রয়োজন হয়ে থাকে।

চিকিৎসাঃ

র‍্যাবডোমায়োলাইসিসের চিকিৎসায় মূলত এই রোগের অন্তর্নিহিত কারণ নির্ণয় করে সেই সকল কারণের সমাধান করা হয়। যেমন, ঔষধ সেবনের ফলে রোগটি হলে দায়ী ঔষধ বন্ধ করে দেওয়া, আঘাতের কারণে হলে আঘাতের চিকিৎসা করা বা সংক্রমণের কারণে রোগটিতে কেউ আক্রান্ত হলে সংক্রমণ রোধ করার চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এই রোগটি প্রতিরোধ করার জন্য হাইড্রেশন অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ। কিডনির ক্ষতি বা রক্তপ্রবাহ থেকে মায়োগ্লোবিন কমানো বা পেশী থেকে প্রোটিন বের করার প্রয়োজন হতে পারে।

গুরুত্বর রোগীর ক্ষেত্রে কিডনির কার্যকারিতা বজায় রাখার জন্য শিরায় স্যালাইন বা অন্যান্য লিকুইড প্রবেশ করানোর প্রয়োজন হতে পারে।

রোগীর ইলেক্ট্রোলাইট স্তর এবং কিডনি ফাংশন নিরীক্ষণ করা অপরিহার্য। গুরুত্বর কিছু রোগীর ক্ষেত্রে ডায়ালাইসিস করার প্রয়োজন হতে পারে।

এছাড়া ঔষধ দ্বারা প্রস্রাবের ক্ষারীয়করণের মাধ্যমে মায়োগ্লোবিন প্ররোচিত কিডনির আঘাত প্রতিরোধ করা যেতে পারে।

পেশীর ক্ষতি রোধ এবং র‍্যাবডোমায়োলাইসিসের বৃদ্ধি রোধ করতে ভারোত্তোলন এবং কঠোর শারীরিক কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকতে হবে।

নিয়মিত ফলোআপ এবং পেশীর শক্তি ফিরে পেতে
ফিজিও থেরাপি চিকিৎসা অন্তর্ভুক্ত এবং ভবিষ্যতে যেন র‍্যাবডোমায়োলাইসিস ফিরে না আসে সেই বিষয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

আরও পড়ুনঃ পেশীতে টান ধরার কারণ ও প্রতিকার।

Leave a Comment