পেমফিগাস ভালগারিস কি

পেমফিগাস ভালগারিস পেমফিগাস ভালগারিস হচ্ছে একটি বিরল অটোইমিউন রোগ। যা ত্বকে দীর্ঘস্থায়ী ফোস্কা ও ঘা সৃষ্টি করে। পেমফিগাসের একটি ধরন হচ্ছে এই পেমফিগাস ভালগারিস। যা পেমফিগাসের সবচেয়ে সাধারণ রুপ। অতি সংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া হিসেবে পেমফিগাস ভালগারিসকে শ্রেনীবদ্ধ করা হয়। মূলত ডেসমোসোমের বিরুদ্ধে এন্টিবডি তৈরি করে এই রোগটি। ডেসমোসোম ত্বকের উপাদান যা ত্বকের নির্দিষ্ট স্তরগুলোকে একে অপরের […]

পেমফিগাস ভালগারিস কি Read More »

পেমফিগাস.. এক ভয়াবহ অবস্থা

পেমফিগাস পেমফিগাস হচ্ছে অটোইমিউন রোগের একটি বিরল গ্রুপ। এই রোগটি ত্বক এবং শ্লেষ্মা ঝিল্লিতে ফোসকা এবং ঘা সৃষ্টি করে। এবং এই ঘা বা ফোস্কা দীর্ঘস্থায়ী রোগীর শরীর, ত্বক এবং ঝিল্লিকে প্রভাবিত করে৷ প্রাথমিক অবস্থায় রোগ নির্ণয় এবং রোগের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এই রোগের বিভিন্ন দিক বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পেমফিগাসপেমফিগাস এর সবচেয়ে সাধারণ ২টি প্রকার

পেমফিগাস.. এক ভয়াবহ অবস্থা Read More »

কিডনির বিরল ক্যান্সার রেট্রোপেরিটোনিয়াল সারকামো

একটি বিরল ও জটিল ক্যান্সারের নাম রেট্রোপেরিটোনিয়াল সারকামো। এই বিরল ক্যান্সারটি মূলত পেটের গহ্বরের পিছনে অবস্থিত অংশ রেট্রোপেরিটোনিয়ামে হয়ে থাকে। এই ক্যান্সারের অবস্থান এবং যে সকল টিস্যুকে কান্সার প্রভাবিত করতে পারে এমন টিস্যুগুলো নির্ণয় ও চিকিৎসা করাটা খুবই চ্যালেঞ্জিং। রেট্রোপেরিটোনিয়াল সারকামো হচ্ছে এক ধরনের নরম টিস্যু সারকামো যা রেট্রোপেরিটোনিয়াল স্পেসে সৃষ্টি হয়। এই স্পেসগুলোর মধ্যে

কিডনির বিরল ক্যান্সার রেট্রোপেরিটোনিয়াল সারকামো Read More »

কিডনি বায়োপসি বা রেনাল বায়োপসি কি

কিডনি বায়োপসিঃ কিডনি বায়োপসি যা রেনাল বায়োপসি নামেও পরিচিত। এটি এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যার মাধ্যমে কিডনিতে থাকা টিস্যুর ছোট একটু নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এই পদ্ধতির মাধ্যমে। রোগীর কিডনির অবস্থা, রোগ নির্ণয়, কিডনির ক্ষতির তীব্রতা মূল্যায়ন এবং চিকিৎসা প্রয়োগের সিদ্ধান্ত পরিচালনায় সহায়তা করে। অর্থাৎ বলা যায় কিডনি বায়োপসি কিডনির গঠন ও কার্যকারিতা সম্পর্কে মূল্যবান

কিডনি বায়োপসি বা রেনাল বায়োপসি কি Read More »

নিপাহ ভাইরাসে এখনই হতে হবে সচেতন

নিপাহ ভাইরাস কিঃ নিপাহ ভাইরাস হচ্ছে এক ধরণের ভাইরাসঘটিত সংক্রমণ, যা নিপাহ নামক ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ায়। এটি এক ধরণের আরএন ভাইরাস যা প্যারামিক্সোভিরিডি পরিবারের হেনিপাহ গোত্রের একটি অংশ। সংক্রমিত পশু বা মানুষের সংস্পর্শে আসলে এই রোগিটি এক দেহ থেকে আরেক দেহতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। মূলত রোগের উপসর্গ থেকে রোগটি নির্ণয় করা হয়ে থাকে এবং ল্যাবরেটরিতে

নিপাহ ভাইরাসে এখনই হতে হবে সচেতন Read More »

মারবার্গ ভাইরাসে সচেতনতা, প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের উপায়

চিকিৎসা ও ভ্যাক্সিনঃ এখন পর্যন্ত মারবার্গ ভাইরাসের (MVD) এর জন্য কোনো অনুমোদিত ভ্যাক্সিন বা ইন্টিভাইরাল চিকিৎসা আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। তবে সহায়ক যত্ন, মৌখিক বা শিরায় স্যালাইন বা লিকুইড মেডিসিন প্রবেশ করিয়ে রিহাইড্রেশন এবং প্রকাশ পাওয়া নির্দিষ্ট লক্ষণগুলো নির্ণয় করে সেই সকল লক্ষণের চিকিৎসা করা হলে রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। পাশাপাশি ভাইরাসের বিকাশ

মারবার্গ ভাইরাসে সচেতনতা, প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের উপায় Read More »

মারবার্গ (Marburg) ভাইরাস ডিজিজ কি

মারবার্গ ভাইরাস ডিজিজ (MVD), যা পূর্বে মারবার্গ হেমোরেজিক ফিভার নামে পরিচিতি ছিল। এই রোগটি মানুষের জন্য মারাত্মক এবং গুরুত্বর একটি রোগ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর হার প্রায় ৫০%। অর্থাৎ এই রোগে আক্রান্ত প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৫০ জনই মারা যায়।  ভাইরাসের স্ট্রেন এবং কেস ম্যানেজমেন্টের উপর নির্ভর করে জানা যায় অতীতের প্রাদুর্ভাবের ক্ষেত্রে এই

মারবার্গ (Marburg) ভাইরাস ডিজিজ কি Read More »

পালমোনারি ফাইব্রোসিস, কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা কি

ফুসফুসের একটি রোগের নাম পালমোনারি ফাইব্রোসিস, যা ফুসফুসে দাগ পড়লে বা ফুসফুসের টিস্যু ক্ষতিগ্রস্থ হলে হয়ে থাকে। এই রোগটি টিস্যুকে ঘন ও শক্ত করে ফেলে। ফুসফুসের বায়ু থলির (অ্যালভিওলি) চারপাশে এবং মাঝের টিস্যুতে পুরু দাগ দেখা যায়। এর ফলে ফুসফুসে অক্সিজেন সরবরাহ হ্রাস পাওয়ার কারণে আক্রান্ত ব্যক্তি সঠিকভাবে শ্বাস নিতে পারে না। শুধু এই কারণেই

পালমোনারি ফাইব্রোসিস, কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা কি Read More »

হাইপারগ্লাইসেমিয়া বা রক্তে সুগার বেড়ে গেলে করণীয় কি

ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষেত্রে যদি হাইপারগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে রক্তে বেড়ে যাওয়া সুগারের লেভেল নিয়ন্ত্রণে আনতে ডাক্তারের দেওয়া পরামর্শ মেনে চলাটা বাধ্যতামূলক। রোগীর করণীয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না থাকলে রোগীর করণীয় কি এবং বর্জনীয় কি সেগুলো সম্পর্কে ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে। ঔষধের পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করা যেতে পারে, যা

হাইপারগ্লাইসেমিয়া বা রক্তে সুগার বেড়ে গেলে করণীয় কি Read More »

হাইপারগ্লাইসেমিয়া বা রক্তে সুগার বেড়ে গেলে কি হয়

আমাদের রক্তে সুগার বা শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়াকে বলা হয় হাইপারগ্লাইসেমিয়া। ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে সুগার বেড়ে যাওয়াটা পরিচিত একটি সমস্যা। টাইপ-১, টাইপ-২ বা গর্ভকালীন ডায়াবেটিস যে কোনো ক্ষেত্রেই হাইপারগ্লাইসেমিয়া দেখা দিতে পারে। হাইপারগ্লাইসেমিয়া এবং হাইপোগ্লাইসেমিয়া শব্দ দুইটি একই রকম মনে হলেও রোগীর জন্য এই দুইটি ক্ষেত্র একদম বিপরীত অর্থ বা সমস্যা বহন করে। রক্তে সুগার

হাইপারগ্লাইসেমিয়া বা রক্তে সুগার বেড়ে গেলে কি হয় Read More »