হার্পিস জোস্টার হচ্ছে একটি ভাইরাস জনিত রোগ, যা ত্বকে মারাত্মক ফুসকুড়ি বা ফোস্কা সৃষ্টি করে। এই রোগটি শিংলস নামেও পরিচিত মূলত ভেরিসেলা-জোস্টার নামক ভাইরাস দ্বারা এই রোগটির সৃষ্টি। এই ভাইরাসটির কারণেই চিকেন পক্স হয়ে থাকে। ফুসকুড়ি সাধারণত শরীরের একটি অংশে ফুসকুড়ি বা ফোড়ার রিং আকারে দেখা যেতে যায়।
কোনো ব্যক্তির শরীরে যখন ছোটবেলায় চিকেন পক্স দেখা দেয়, তখন তার শরীর ভেরিসেলা-জোস্টার ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকে। এবং এই কারণে সেই সময় শারীরিক অসুস্থতাগুলো হ্রাস পেতে থাকে। তবে হ্রাস পেলেও সংক্রমণ আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে এই ভাইরাসটি থেকে যায়। এই সুপ্ত ভাইরাসগুলোই কখনো কখনো পরিপক্কতা লাভ করার মাধ্যমে পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠে। যার প্রভাবে ভেরিসেলা-জোস্টার সংক্রমণটি সেই সময় দাদ আকারে দ্বিতীয়বার আক্রান্তের শরীরে প্রকাশ পায়।
হারপিস রোগটি প্রাণঘাতি নয়। তবে রোগটি রোগীর জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক বা কষ্টদায়ক হতে পারে। পোসঠেরপেটিক নিউরালজিয়া হচ্ছে রোগটির প্রচলিত সবচেয়ে ঝুঁকির কারণ। যা ফোসকা সেরে যাওয়ার পরেও দাদ ও অস্বস্তি অব্যাহত রাখে।
হার্পিস জোস্টারের লক্ষণঃ
হার্পিসের লক্ষণগুলো প্রায়শই শরীরের যে কোনো এক পাশের একটি ছোট অংশে আক্রমণ করে। এই রোগের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হচ্ছে ব্যথা। কিছু রোগীর ক্ষেত্রে এই ব্যথা তীব্র থেকে তীব্রতর হতে পারে।
ব্যথা ছাড়াও অন্যান্য ইঙ্গিত এবং লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- ব্যথা,
- জ্বালাপোড়া,
- অসাড়তা বা ঝাঁঝাল সম্ভাব্য লক্ষণ,
- স্পর্শ সংবেদনশীলতা,
- নিশপিশ,
- একটি লাল ফুসকুড়ি যা ব্যথা চলে যাওয়ার কয়েকদিন পরে দেখা যায়,
- ফোসকা যা ফেটে যায় এবং তরল দিয়ে ক্রাস্ট হয়।
এগুলো ছাড়াও কিছু রোগীর ক্ষেত্রে আরও কিছু লক্ষণ লক্ষ্য করা যায়। এসবের মধ্যে রয়েছে-
- মাথা ব্যথা,
- জ্বর,
- অবসাদ এবং
- হালকা সংবেদনশীলতা।
হারপিস জোস্টারের কারণঃ
ভেরিসেলা-জোস্টার ভাইরাস হচ্ছে হারপিস ভাইরাসের কারণ৷ এই ভেরিসেলা-জোস্টার ভাইরাসের কারণেই চিকেন পক্স হয়ে থাকে। যদি কোনো ব্যক্তি আগে কখনো চিকেন পক্সে আক্রান্ত হয়ে থাকে, তাহলে পুনরায় সেই ব্যক্তির শরীরে ভেরিসেলা-জোস্টার ভাইরাসটি সক্রিয় হয়ে হারপিস রোগটি সৃষ্টি করতে পারে। রোগ জীবাণুর প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার কারণে এই রোগটিতে বয়স্ক মানুষদের বেশি আক্রান্ত হতে দেখা যায়।
এই ভাইরাসটি পুনরায় সক্রিয় হতে পারার পাশাপাশি রোগীর ত্বকে নিউরাল পথ জুড়ে স্থানান্তরিত হতে পারে। যার ফলে হারপিস রোগটি হয়ে থাকে। চিকেন পক্সে আক্রান্ত প্রতিটি ব্যক্তিই যে হারপিসে আক্রান্ত হবে বিষয়টি এমন নয়। যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গিয়ে ভেরিসেলা-জোস্টার ভাইরাস সক্রিয় হয়ে যায় তারাই রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে থাকে।
রোগীর শরীরে দাদ হওয়ার কারণ এখনো অজানা। মানুষের বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে অসুস্থতার বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হতে থাকে। আর এই দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কারণে বয়স্ক, প্রাপ্তবয়স্ক এবং যারা আপোসহীন প্রতিরোধ ব্যবস্থায় রয়েছে তাদের এই হার্পিস রোগে বেশি আক্রান্ত হতে দেখা যায়।
হার্পিস জোস্টারের প্রকারভেদঃ
হার্পিস জোস্টার শরীরের প্রভাবিত অংশের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন উপায়ে প্রদর্শিত হতে পারে। এসকল প্রকারের মধ্যে রয়েছে-
হার্পিস জোস্টার চক্ষুঃ
এই ধরনের হার্পিস জোস্টার চোখ এবং চোখের আশেপাশের স্থানগুলোকে প্রভাবিত করে। যার প্রভাবে দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা এমনকি অন্ধত্ব পর্যন্ত ঘটতে পারে।
হার্পিস জোস্টারঃ
সাধারণত একাধিক ডার্মাটোম বা একাধিক স্থানীয় এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণত এই ধরণের হার্পিস জোস্টার ইমিউনোকম্প্রোমাইজড।
হার্পিস জোস্টার ওটিকাস:
এই ধরনের হার্পিস জোস্টার কানের সাথে জড়িত। কানে বা আশেপাশে ব্যথা, ফোস্কা এবং কিছু ক্ষেত্রে এই রোগটি মুখের মধ্যে পক্ষাঘাত সৃষ্টি করে।
হার্পিস জোস্টারের পর্যায়ঃ
হার্পিস জোস্টারের কয়েকটি পর্যায় রয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে-
১ম পর্যায়ঃ
এই পর্যায়ের হার্পিস সাধারণত শরীরের একপাশে আক্রমণ করে। সাধারণত কোমর, পিঠ বা বুকে ফোস্কা বা দাদ আকারে দেখা যায়।
২য় পর্যায়ঃ
এই পর্যায়ের হার্পিস জোস্টার যে স্থানে ফোস্কা বা দাদ দেখা যায়, সেই স্থানে একটি লাল ফুসকুড়ি ৫ দিনের মধ্যে দেখা দিতে পারে। এবং আক্রান্ত স্থানে কিছুদিন পরে একই জায়গায় তরল ভরা ফোস্কাগুলোর ছোট ছোট দল তৈরি হতে পারে।
৩য় পর্যায়ঃ
এই পর্যায়ে আক্রান্ত ব্যক্তির জ্বর, মাথা ব্যথা এবং ক্লান্তির পাশাপাশি ফ্লু-এর মত লক্ষণ দেখা যেতে পারে।
ঝুঁকির কারণঃ
চিকেন পক্সে আক্রান্ত প্রতিটি ব্যক্তিকে হার্পিস প্রভাবিত করতে পারে। চিকেন পক্স ছাড়াও অন্যান্য কারণেও এই রোগটি হওয়ার ঝুঁকি আছে। ঝুঁকির মধ্যে নিন্মলিখিত কারণগুলো হার্পিস বা দাদ হওয়ার সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে।
★ বয়স ৫০ বা তার অধিকঃ
৫০ বছরের বেশি বয়স এমন ব্যক্তিদের হার্পিস রোগে আক্রান্ত হতে বেশি দেখা যায়। অত:পর বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে রোগীর বা হার্পিসের ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের বিপদও বাড়তে থাকে।
★ নির্দিষ্ট রোগাক্রান্তঃ
এইচআইভি/এইডস এবং ক্যান্সার উভয় রোগই রোগীর ইমিউন সিস্টেমকে দুর্বল করে ফেলে। আর ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হলে হার্পিস হওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল হয়ে যায়।
★ চিকিৎসাধীন ক্যান্সার রোগীঃ
কেমোথেরাপি বা রেডিয়েশন থেরাপি রোগীর ইমিউন সিস্টেমকে দুর্বল করে দিতে পারে। যার ফলে রোগীর হার্পিস হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
★ নির্দিষ্ট ঔষধ সেবনঃ
রিপ্লেসমেন্ট বা প্রতিস্থাপিত অঙ্গ প্রত্যাখ্যান প্রতিরোধে ব্যবহৃত ঔষধের পাশাপাশি প্রিডনিসোন এর মর স্টেরয়েডের অতিরিক্ত ব্যবহার যে কোনো ব্যক্তির হার্পিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।
হার্পিস জোস্টার নির্ণয়:
পূর্বের ইতিহাস এবং শারীরিক অবস্থা হার্পিস জোস্টার নির্ণয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই দেখা যায় পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করার মাধ্যমে রোগটি নির্ণয় করা যায় না। কিছু রোগীর ক্ষেত্রে, বিশেষ করে ইমিউনোকম্প্রোমাইজড রোগীদের চেহারা বা ত্বক অপ্রত্যাশিত হতে পারে। যার ফলে অতিরিক্ত পরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে।
রোগ নির্ণয় বা নিশ্চিতকরণের জন্য নীচের পরীক্ষাগুলো করার জন্য ডাক্তার পরামর্শ দিতে পারে।
★ ভেসকল ফ্লুইড বা কর্নিয়ার ক্ষততে সরাসরি ফ্লুরোসেন্ট এন্টিবডি (DFA) পরীক্ষা,
★ পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন (PCR) ব্যবহার করে ভেসিকুলার ফ্লুইড কর্নিয়ার ক্ষত বা রক্তের পরীক্ষা করা হয়।
★ Tzanck ভেসিকুলার ফ্লুইড স্মিয়ার টেস্ট। এটি DFA বা PCR এর চেয়ে কম সংবেদনশীল বা নির্দিষ্ট।
★ রোগীর শরীরের ফুসকুড়ির প্যাটার্ন দেখেও হার্পিস সনাক্ত করা যেতে পারে। হার্পিস ফোসকা সাধারণত শরীরের একপাশে একটি রিং তৈরি করে। স্ক্যাপিং বা ফোস্কা তরল একটি swab ব্যবহার করে ল্যাব টেস্টের মাধ্যমে হার্পিস সনাক্ত করা সম্ভব।
হার্পিস জোস্টারের জটিলতাঃ
যদি সময়মতো এবং সঠিক চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে হার্পিস জোস্টার শরীরে নানা জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। দাদ হওয়ার পরে সবচেয়ে সাধারণ জটিলতা হচ্ছে PHN বা পোস্টহেরপাটিক নিউরালজিয়া। যা জ্বলন্ত স্নায়ু ব্যথা সৃষ্টি করে, এবং এই ব্যথা ফুসকুড়ি বিবর্ণ হওয়ার পরেও থাকতে পারে। এছাড়াও জটিলতার কারণে সংক্রম্লণটি চোখে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। যা হার্পিস জোস্টার অপথালমিকাস নামে পরিচিত। ত্বকের সংক্রমণে যদি রোগীর ত্বকে ফোসকা দেখা দেয় এবং ফোসকায় আঁচড় দেওয়া হয় এর প্রভাবে এনসেফালাইটিস বা মেনিনজাইটিস হতে পারে। যা মস্তিষ্ক এবং মেরুদন্ডকে প্রভাবিত করে ফেলে। যদিও এই বিষয়টি বিরল।
হার্পিস জোস্টারের চিকিৎসাঃ
হার্পিসের কোনো প্রতিকার নেই। তবে যত তাড়াতাড়ি চিকিৎসা শুরু করা হবে রোগের জটিলতা এড়ানো এবং দ্রুত পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে। আদর্শ মান হিসেবে বলা হয়, লক্ষণ শুরু হওয়ার ৭২ ঘন্টার মধ্যে রোগের চিকিৎসা শুরু করা উচিত। রোগীর লক্ষণগুলো নির্মূল করতে এবং সংক্রমণের সময়কাল কমিয়ে আনার জন্য চিকিৎসক কিছু ঔষধ সেবনের নির্দেশনা প্রদান করতে পারেন।
এক্ষেত্রে চিকিৎসক কিছু এন্টিভাইরাল ঔষধ যেমন- অ্যাসাইক্লোভির সাথে আইবুপ্রোফেনের মত প্রদাহ নাশক ঔষধ সেবনের পরামর্শ দিতে পারেন।
Shingrix ভ্যাক্সিন FDA থেকে পাওয়া যায়। এই ভ্যাক্সিন হার্পিস এর সংক্রমণ প্রতিরোধে ৯০% এর বেশি কার্যকর বলে মনে করা হয়।
এই ভ্যাক্সিন এবং ঔষধ এক এক দেশে এক এক নামে থাকতে পারে। তাই ভ্যাক্সিন নেওয়ার আগে যাচাইকৃত প্রেসক্রিপশন থাকার পরেই গ্রহণ করা উচিত।
প্রতিরোধঃ
হার্পিসের প্রতিকার না থাকলেও প্রতিরোধ করা সম্ভব। প্রতিরোধ করতে হলে কিছু কাজ করতে হবে৷ আর সেগুলো হচ্ছে-
১. টিকা দানঃ
দাদ প্রতিরোধ করতে ৫০ বছরের অধিক বয়স্কদের শিংরিক্স ভ্যাক্সিন নিতে হবে। যদি শিংরিক্স ভ্যাক্সিন পাওয়া না যায়, তাহলে বিকল্প হিসেবে Zosatavax নিতে পারেন।
২. অনাক্রমতা বাড়াতে হবে
শাক-সবজি, ফল এবং প্রোটিনসহ স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। নিজের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম করার পাশাপাশি স্ট্রেস ফ্রি থাকতে হবে।
৩. ট্রিগার এড়িয়ে চলা:
যাদের চিকেন পক্স বা দাদ আছে তাদের থেকে যতটা সম্ভব দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল করতে হবে। পাশাপাশি সূর্যের এক্সপোজার সীমিত করতে হবে। অর্থাৎ দিনের বেলা যতটা সম্ভভ কম বের হয়ে, বা ছাতা, সানস্ক্রীম ইত্যাদি ব্যবহার করে রোদের তাপ থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে হবে।
৪. চিকেন পক্সের টিকা:
শৈশবে চিকেন পক্সের টিকা নেওয়া হলে পরবর্তীতে দাদ হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়। তাই শৈশব কালে সন্তানদের চিকেন পক্সের টিকা দিয়ে দিতে হবে।
৫. স্বাস্থ্যবিধি বজায়:
দাদ হলে নিয়মিত দাদ ও ফুসকুড়ি পরিষ্কার করার পাশাপাশি সেগুলো ঢেকে রাখতে হবে। ময়লা, ধুলাবালি এবং তাপ দাদের জন্য ক্ষতিকর। এছাড়া ভাইরাস ছড়ানো রোধ করতে ফোসকা স্পর্শ করা বা আঁচড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হার্পিসের লক্ষণগুলো ৩ থেকে ৫ সপ্তাহের মধ্যে সমাধান হয়ে যায়। এই রোগ একই ব্যক্তির শরীরে একাধিকবার আক্রান্ত করতে পারে। যাদের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল তাদের বারবার এই হার্পিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তবে বারবার আক্রান্ত হওয়ার এই ঝুঁকি বিরল।
টিকা মূলত দাদ হওয়ার সম্ভাবনা কমাতে সাহায্য করে থাকে। প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা নিলে হার্পিসের সংক্রমণের ঝুঁকি এবং জটিলতা কমানো সম্ভব হয়।
সতর্কতাঃ
হার্পিস জোস্টারের বিস্তার সীমিত করতে এবং এর প্রভাব কমাতে সাহায্য করতে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এসকল সতর্কতার মধ্যে রয়েছে-
★ গর্ভবতী মহিলা, নবজাতক শিশু, ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী, এইচআইভি আক্রান্ত রোগী, কিডনি ডায়ালাইসিসের রোগীসহ দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের থেকে হার্পিস আক্রান্ত রোগীর দূরে রাখতে হবে। না হলে তাদের শরীরেও হার্পিস ছড়িয়ে পড়তে পারে।
★ রোগী কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে রোগীকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে। ফুসকুড়ি গালানো বা ছিঁড়ে ফেলা যাবে না। ফুসকুড়ি নিরাময় করতে ডাক্তার ইচ্ছে পোষণ করতে পারেন আবার নাও পারেন।
★ ফোসকা আঁচড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে। এটি সেকেন্ডারি ইনফেকশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করবে।
রোগীর অবস্থা দ্রুত পুনরুদ্ধার করতে এবং উপসর্গগুলো কমাতে সাহায্য করার জন্য এন্টিভাইরাল ঔষধ সেবন করার ক্ষেত্রে চিকিৎসকের সুপারিশগুলো মেনে চলতে হবে।